আয়ান সবচেচয় জ্ঞানী কচয়কজন মানুচের মচযে একজন। তার আইককউ (ইচেকিচজন্স ককাচয়াচেে) অসাযারণ। একইসাচে তার ইককউ (ইচমােনাি ককাচয়াচেে) খুবই ভাচিা। ককন্তু তারপচরও তার ককছু সমসোর কারচণ কস কিকনকেিং িাইচন কপ ৌঁছাচত পাচর না!
তার সমসোটা হচে, কস একজন ব্ল্োক মোকজকেয়ান এবিং একইসাচে তার সুপারনোোরাি ক্ষমতা, ক্ল্োচরাকিচয়ন্স।
কিকরট আর কিমন কনচয় কাজ করচত করচত তার মাচে ততকর হচয়চছ এই ক্ষমতা। কেই ক্ষমতাবচি কস কিকরট ও কিমনচের কো শুনচত পায়।
আয়ান কো বিচত পছন্দ কচর। ককন্তু তারপচরও একাই রওনা হচয়চছ কক্সবাজাচরর উচেচেে। কেচনর েচের সাচে বৃকির ছচন্দর মাচে হঠাৎ এক পরীর আকবভভাব। ককন্তু কিকনকেিং িাইন কছাৌঁয়ার সাহস কক আয়াচনর আচছ?
‘আয়ানের ব্রহ্মবিদ্যা’ পড়চি এই প্রচের উত্তর খুৌঁচজ পাওয়া কেচত পাচর!
ইলুমিনাতির উৎপত্তি | কিভাবে এলো গুপ্ত সংগঠন ইলুমিনাতি | Illuminati: History of The Secret Society in Bangla
পৃথিবীর বিভিন্ন গোপন সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত সংগঠনটির নাম ইলুমিনাতি (Illuminati)। ধারণা করা হয় মাইকেল জ্যাকসন থেকে শুরু করে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, বিল গেটস থেকে শুরু করে বারাক ওবামা ও ইন্ডিয়ার বড় বড় কোম্পানির মালিক এবং জিও (Jio) কোম্পানির মালিক মুকেশ আম্বানি থেকে শুরু করে শাহরুখ খান সহ পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় অসংখ্য ব্যক্তি’ই ইলুমিনাতির সদস্য, তাই ইলুমিনাতি কি এবং কিভাবে এই ইলুমিনাতির উৎপত্তি হয়েছিল এই সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়েই থাকছে আমাদের আজকের এই আয়োজন।
রহস্যেভরা সংগঠন ইলুমিনাতির যাত্রা শুরু হয়েছিল জার্মানির বাভারিয়া (Bavaria) প্রদেশে। ১৭৭৬ সালে জার্মানের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যার নাম অ্যাডাম ওআইশুপট (Adam Weishaupt)-এর দ্বারা এই গোপন সংগঠনের যাত্রা শুরু। তার এই ইলুমিনাতি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজ থেকে কুসংস্কারকে দূরকরা এবং জনজীবনে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় প্রভাব কমানো। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অ্যাডাম প্রথমে তার ৪জন ছাত্রকে নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু করে এবং ইলুমিনাতির সদস্যদের পরিচয় গোপন রাখতে এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডাম তার সকল সদস্যের আলাদা আলাদা ছদ্মনাম ঠিক করে আর নিজের ছদ্মনাম রাখে স্পার্টাকাস (Spartacus)। ১৭৮৪ সালে ইলুমিনাতির সদস্য সংখ্যা হয়েদ্বারায় ৬৫০জন তবে অ্যাডাম এই গোপন সংগঠনের কথা স্বভাবতই গোপন রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সদস্য সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ইলুমিনাতির কথা আর গোপন থাকেনি। ১৭৮৫ সালে বাভারিয়ার শাসক চার্লস থিওডোর (Charles Theodore) সকল ধরনের গোপন সংগঠন নিষিদ্ধ করে, তখন ইলুমিনাতির প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডাম ফ্রান্স-এ পালিয়ে যায় আর সেসাথে ইলুমিনাতির অনেক গোপন নথিপত্র জব্দ করা হয়। পরবর্তীকালে ১৭৯৮ সালে জন্স রবিনসন (Jones Robinson) প্রুফ অব এ কন্সপিরেসি (Proofs of a Conspiracy) নামে একটি বই প্রকাশ করে। এই বইটিতে তিনি ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ইলুমিনাতির জোরালো প্রভাব আছে বলে দাবি করেন আর বিশেষ করে তারপর থেকেই এই ইলুমিনাতি নিয়ে অনেকের মুখে অনেক ধরণের রহস্যে ঘেড়া কথাবার্তা শোনাযায়। বর্তমানে ইলুমিনাতি নিয়ে লেখা হয়েছে অনেক ধরণের অনেক বই আর সেসাথে বহু সংগঠন তাদেরকে ইলুমিনাতি হিসেবেও দাবি করে, তবে এরা কোন ধরনের গোপনীয়তার ধার ধারে না, এমনকি তাদের সংগঠন নিয়ে রয়েছে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ফেসবুক এবং টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ফ্যান পেজ ও ওয়েব পেজ যা দ্বারা তারা সদস্য সংগ্রহের জন্য রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়েই থাকে। তবে এদের সাথে আসল ইলুমিনাতির কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। আশাকরি ইলুমিনাতির উৎপত্তি ও রহস্য সম্পর্কে আপনাদেরকে ভাল কিছু তথ্য দিতে পেরেছি। ইলুমিনাতি সম্পর্কে আমাদের আজকের আয়োজন আপনার কেমন লাগলো তা আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং পোষ্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন, ধন্যবাদ।
রহস্যময় কালো জাদুর বই নেক্রোনমিকন | Mysterious Black Magic Book Necronomicon
আমরা আজকে এমন একটি বইয়ের রহস্য নিয়ে এসেছি যে বইয়ে লেখা হয়েছিল অসম্ভব শক্তিশালী কিছু কালো জাদুবিদ্যার মন্ত্র, যে মন্ত্র পাঠ করার সাথে সাথে শয়তান জাগ্রত হত। ধারণা করা হয় এই বইটি হাজার বছর আগে এই পৃথিবীতে লেখা হয়েছিল যাতে ছিল সমস্ত শয়তানি দুনিয়ার কালো জাদুর মন্ত্র আর সেই রহস্যময় বইটিকে নিয়েও রয়েছে অনেক রহস্যময় ধারণা কারণ বহু আলোচিত সেই বইটি এখন কোথায় আছে আর স্পষ্ট ভাবে সত্যিই কি ছিল তাতে লেখা তা কেউই আজ বলতে পারে না কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে বইটি ঠিক কোথাও না কোথাও এখনো রয়েছে।
বিংশ শতকের গোড়ার দিকে খ্যাতনামা মার্কিন লেখক এইচ পি লাভক্র্যাফ্ট (H. P. Lovecraft) এই বইটকে নিয়ে মুখ খুললেন। তার অসংখ্য গল্পে তিনি এই গ্রন্থের কথা লিখতে শুরু করেন। গ্রন্থটির নাম নেক্রোনমিকন (Necronomicon) যতদূর জানা যায় এই গ্রন্থটি আসলে আরবি ভাষায় লিখিত পরে এটি গ্রিক ভাষায় অনুবাদ করে ইউরোপের রহস্যবাদী কাল্টগুলোরের হাতে পৌঁছায়।
মনে করা হয় নেক্রোনমিকনের লেখক আবু আলী আল হাসান নামের আরব জনৈক কিন্তু তাকে দামাস্কের আরব আব্দুল বলেও ডাকা হতো আর ইউরোপে তিনি দ্য ম্যাড অ্যারাব নামেই পরিচিত ছিলেন। তার আসল পরিচয় আজও জানে না কেউ।
ধারণা করা হয় ৮২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত আব্দুল জীবিত ছিলেন। সে ইরাম নামের কোনএক গুপ্ত শহরে ১০ বছর থেকে সেখান থেকে গুপ্তবিদ্যা শিক্ষা করেন। তারপরে আজিজ ছদ্মনামে এই বইটি লেখেন তবে কি রয়েছে এই বইটিতে তা কারো কাছেই স্পষ্ট নয়।
এইচ পি লাভক্র্যাফ্ট (H. P. Lovecraft) সহ অসংখ্য সাহিত্যিক মনে করেন এই বই কালোজাদুর এক খনি, এতে পিশাচ জাগরণের পদ্ধতি থেকে শুরু করে মৃতকে জীবিত করার উপায় পর্যন্ত বর্ণিত আছে আর যে ব্যক্তি এই বইটি পড়ে ফেলতে পারবেন মহাজগতের সব শয়তানি রহস্য চলে আসবে তার হাতের মুঠোয়।
মধ্যযুগের ইউরোপে যখন ডাকিনীবিদ্যা চর্চা তুঙ্গে তখন নেক্রোনমিকন নিয়ে পাগলামি বিপুলভাবে দেখা যায়। অসংখ্য মানুষ সন্ধান করতে থাকে বইটি আর তাল বুঝে বই নকলবাজেরা নেক্রোনমিকন নাম করে বেশ কিছু বই বাজারে ছাড়তে শুরু করে আর তখন অসংখ্য নকল বই দিয়ে ভরেযায় ইউরোপের গুপ্ত বইয়ের বাজার।
১৯২৭ সালে ল্যাভক্র্যাফ্ট নেক্রোনমিক কে নিয়ে একটি গল্প ইতিহাস লেখেন আর ১৯৩৮ সালে তা প্রকাশিত হলে তুমুল হইচই পড়ে যায় এটানিয়ে তাই এরপর থেকে মাঝে মাঝেই এই বইয়ের কথিক খন্ডাংশ ও অন্যান্য আজগুবি কথা প্রকাশ হতে শুরু করে। গুজব ছড়ায় রাশিয়ার কুক্ষাত জাদুকর রাসপুটিন, নাৎসি নেতা হিমলার এমনকী স্বয়ং হিটলারও একটি করে কপি হস্তগত করেছিলেন তবে লাভক্র্যাফ্টের মতে কোনদিনই বইটিকে কেউ নিজ চোখে দেখেনি।
অনেকেই মনে করেন এটি আসলে বই বিক্রয়ের একটি চাল ছিল যাতে তাদের বই গুলো বেশি বিক্রি হয় কিন্তু তারপরও আজও অসংখ্য মানুষ বিশ্বাস করে কোথাও না কোথাও নেক্রোনমিকন রয়েছে।
আরো নতুন নতুন রহস্য ও অন্যান্য তথ্যাবলিতে ভরপুর খবর পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






